<< ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ২০ রোহিঙ্গাকে

নোয়াখালী জেলার ভাসানচর শরণার্থী ক্যাম্প থেকে পালিয়ে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আসা নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ২০ রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালের দিকে মিরসরাই উপজেলার বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন ফারুকি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. আব্দুর রহমান (২৭), সেঁতারা বেগম (২০), মো. সাব্বির (২৬), সঞ্চিতা বেগম, রাজিয়া বেগম (২৩), নুরুল করিম (২০), সালমা খাতুন (৫০), জামাল হোসেন (২৪), নূর কায়দা (২৫), রুমানা (৬), নূর ফাতেমা (৩), মো. আয়াজ (৮), জান্নাত আরা (৪), কিছমত আরা বেগম (২), মরিয়ম (৮), আবুল কাশেম (৭), ওসমান গণি (৮ মাস), মো. আয়াত (৪), জান্নাত আরা (১) ও সেতারা (৫)।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন ফারুকি বলেন, গ্রেপ্তার রোহিঙ্গারা ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ ভাসানচর শরণার্থী ক্যাম্প থেকে ট্রলার রিজার্ভ করে বঙ্গোপসাগরের সন্দ্বীপ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে মিরসরাইয়ের অর্থনৈতিক জোন এলাকায় এসে নামে। সেখান থেকে তাদের টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাওয়ার কথা ছিল। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নেয়া হয়েছে। তারা কার সহযোগিতায় ভাসানচর থেকে পালিয়েছেন তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভাসানচর থেকে রোহিঙ্গাদের পালাতে কারা সাহায্য করেছে- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দালালরা বিভিন্ন জায়গার। গ্রেপ্তারকৃত রোহিঙ্গারা তাদের নাম বলতে পারছেন না। তবে আমরা ধারণা করছি নোয়াখালী, কক্সবাজার ও টেকনাফের দালালদের যোগসাজশে তারা ভাসানচর থেকে পালিয়েছেন। এর পেছনে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ।

আটক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন ফারুকী।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১১ জুলাই জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ অর্থনৈতিক জোন থেকে নারী-শিশুসহ ১৮ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছিল। গত ২২ জুন ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ১৪ জন ও ৩০ মে ৩ দালালসহ ১০ জন রোহিঙ্গাকে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে আটক করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।

শেয়ার করলে অনুপ্রাণিত হবো...

Leave a Reply

Your email address will not be published.