<< নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ায় অসহায় সাধারণ মানুষ

ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে শাকসবজি, মাছ-মাংসের দাম। লাগামহীন দামে অল্প আয়ের মানুষ শুরু করে উচ্চ মধ্যবিত্তরাও দিশেহারা।

রাজধানীর কয়েকটি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৭০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া প্রতিটি ৪০ টাকা, চালকুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকা, শিমের কেজি ১২০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা কেজি, ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি, গাজর ১৬০ টাকা কেজি, মুলা ৬০ টাকা কেজি, টমেটো ১৬০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি, করলা ৬০ টাকা কেজি, কাঁচামরিচ ১৮০-২০০ টাকা কেজি, লাউ ৫০-৬০ পিস, শসা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, আলু ২৫ টাকা কেজি, দেশি পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি, আদা ১৪০ টাকা কেজিসহ রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে।

বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫-১৭৫ টাকা কেজি ও সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা কেজি। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬০০ টাকা। ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকা ডজন, কাচকি মাছ প্রতি কেজি ৪৫০-৫০০ টাকা, রুই মাজ ২৮০-৩২০ টাকা কেজি।

এক ক্রেতা বলেন, সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় খুব কষ্টে সংসার চালাতে হচ্ছে। ছেলেমেয়েদের স্কুল খুলেছে, তাদের পড়াশোনার খরচ বেড়েছে। জিনিসপত্রের দাম কম থাকার সময় কোনোভাবে সংসার চালাতে পারতাম। এখন যেভাবে দাম বেড়েছে কিছুদিন পর না খেয়ে থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। আমরা নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন কষ্টের কথা কাউকে বলতেও পারি না, সইতেও পারি না।

সবজি বিক্রেতা ‍মিনহাজ বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় আমাদেরকে উচ্চমূল্যে সবজি বিক্রি করতে হয়। সবকিছুর দাম বাড়াতে আমরাও কষ্টের মধ্যে আছি। জিনিসপত্রের দাম খুব দ্রুত কমানো দরকার।

শেয়ার করলে অনুপ্রাণিত হবো...

Leave a Reply

Your email address will not be published.